Skip to main content
BRAC

BRAC

BRAC has mobilised its team on the ground to support families affected by a devastating fire in Rohingya camps in Ukhiya of Cox’s Bazar, Bangladesh.  

The devastating fire that broke out in Rohingya camps of Kutulpalong Balukhali area on Monday afternoon displaced several thousand families who are squatting in the nearby open areas. Government response services, including fire services, rescue and response teams, and volunteers rushed to the spot immediately. Aid and development agencies joined the response efforts by the Refugee Relief and Repatriation Commissioner (RRRC) office and the work is still ongoing.

According to United Nations High Commissioner for Refugees (UNHCR), the incident site sheltered over 126,381 people before the fire incident and almost all of them are currently squatting in open areas.

The Deputy Commissioner of Cox’s Bazar and Upazila Nirbahi Officer of Ukhiya immediately visited the affected areas and requested BRAC to provide emergency basic support including to urgently ensure medical support with nurses, provide tarpaulin for temporary shelter and ensure female health and hygiene, and security services.

BRAC, in a prompt move, mobilised emergency medical team to provide basic first aid support to the affected people at the safe shelters.

BRAC Primary Healthcare Centres in camps 8E and 13 are fully operational and a medical team of 10-12 members are providing primary health support from the Balukhali Kashemia High School. A total of 233 injured people have already been provided with primary and emergency medical facilities.

BRAC has distributed 11,900 fortified biscuit packets (595 KG) and 8,000 liter of water bottles among the affected families taking shelter in the Balukhali Kashemia High School field. A total of 819 packets of cooked food were supplied to 556 people as lunch and dinners. BRAC provided 5500 jerry cans to OXFAM to ensure immediate water supply among the affected people and another 800 cans have been stockpiled for distribution.

So far, 977 pieces of tarpaulin have been distributed as emergency shelter support and another 1000 pieces have been kept aside.

Sajedul Hasan, Director of Humanitarian Programme at BRAC said, “It is a terrible disaster. We expect that coordinated interventions by the government, BRAC and other non-government organisations will bring normalcy into the lives of affected Rohingya families in the earliest possible time. BRAC already distributed food and drinkable water to the affected families. Healthcare facilities for the injured people are ongoing. Several initiatives have also been taken to ensure protection of women and children.”

The Gender Based Violence (GBV) team opened four SSWGs (Sub Sector Working Group) as an emergency shelter for women and girls in camps 8E, 8W, 5, and 6. Some families have already taken shelter there. There is a stockpile of 1,000 emergency dignity kits as emergency support for women and girls.

The Child Protection team has mobilised volunteers in the field to identify and support separated children and adolescents. By now identified missing children have already been fed with energy biscuits and taken them to safe shelters. Some centre managers are still near Balukhali to provide support to missing children and adolescents. High energy biscuits are being distributed to these missing children.

BRAC thanks local government authorities, partners and frontline responders who are working together to respond to the crisis and ensure safety for all.

 

বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে অভিবাসন খাতটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের  সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২৭২ মিলিয়ন মানুষ (বিশ্ব জনসংখ্যার ৩.৫%) কাজের জন্য বা  অন্য কোনো প্রয়োজনে নিজ দেশে বাস না করে অন্য দেশে বাস করছেন এবং উভয় দেশেরই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

কোভিড ১৯ মহামারীর কারণে বিশ্বব্যাপী প্রবাসী আয় নিম্নমুখী হলেও বাংলাদেশি প্রবাসীরা এই মহামারীর মধ্যেই রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে গড়েছে নতুন রেকর্ড। ২০১৯ সালে যেখানে দেশে মোট প্রবাসী আয় এসেছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা সেখানে ২০২০ সালে এসেছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫৫ কোটি টাকা (তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)।

বাংলাদেশকে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ করতে প্রবাসী আয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে অভিবাসন প্রত্যাশীরা প্রায়শই প্রতারণার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে ব্র্যাক বাংলাদেশের অভিবাসনপ্রবণ জেলাগুলোতে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত, মানবপাচার প্রতিরোধ ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং বিদেশফেরত অভিবাসীদের পুনরেকত্রীকরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিবছর প্রবাস থেকে অনেক মানুষ দেশে ফেরত আসে। কিন্তু তাদের পুনরেকত্রীকরণের বিষয়টি একেবারে উপেক্ষিত থেকে যায়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা কওে ব্র্যাক ড্যানিশ দূতাবাসের সহায়তায় ‘সোশিও-ইকোনোমিক রিইন্টিগ্রেশন অব রিটার্নি মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স অব বাংলাদেশ’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। যে প্রকল্পের অধীনে বিদেশফেরত অভিবাসীদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। অভিবাসনবিষয়ক সাংবাদিকতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে ব্র্যাক ২০১৫ সাল থেকে ‘ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রবর্তন করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিবাসন বিষয়ক সাংবাদিকতাকে অনুপ্রাণিত করতে ষষ্ঠবারের মতো ‘ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে।

যেসব বিভাগে/ক্যাটাগরিতে ‘৬ষ্ঠ ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে
(ক)    সংবাদপত্র (জাতীয়): অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো জাতীয়  সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(খ)    সংবাদপত্র (আঞ্চলিক): অভিবাসন বিষয়ে বাংলাদেশের যে কোনো আঞ্চলিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(গ)    অনলাইন: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(ঘ)    টেলিভিশন সংবাদ: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো টেলিভিশনে সম্প্রচারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।
(ঙ)    টেলিভিশন অনুষ্ঠান: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো টেলিভিশনে সম্প্রচারিত অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান।
(চ)    রেডিও: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো রেডিওতে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান/প্রতিবেদন।
(ছ)    আলোকচিত্র: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যেকোনো গণমাধ্যমে প্রকাশিত আলোকচিত্র।
(জ)    সোশ্যাল মিডিয়া: নিরাপদ অভিবাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা মানসম্মত ফেসবুক পেজ/ব্যক্তিগত আইডি/ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেল।    
(ঝ)    সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠান: অভিবাসন বিষয়ে  ভূমিকা রাখা প্রিন্ট/অনলাইন/টেলিভিশন।

প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/আলোকচিত্র/ সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টসমূহ প্রকাশ বা প্রচারের সময়সীমা
দেশে অথবা প্রবাসে অবস্থানরত যেকোনো বাংলাদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাটাগরিতে যেকোনো বাংলাদেশি ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন। অভিবাসনবিষয়ক প্রতিবেদন/ অনুষ্ঠান/আলোকচিত্র/ ব্লগ/সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টসমুহ অবশ্যই ১ জানুয়ারি ২০২০  থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ এর মধ্যে প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে।


প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নিয়ম
সিরিজ রিপোর্ট ছাড়া কোনো প্রতিযোগী একই ক্যাটাগরিতে একের অধিক প্রতিবেদন জমা দিতে পারবেন না। তবে সিরিজ রিপোর্ট হলে পর্ব সংখ্যা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত হওয়ার তারিখ উল্লেখপূর্বক সিরিজের সবগুলো প্রতিবেদন জমা দেওয়া যাবে।


যোগ্যতা ও সতর্কতা
মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের জন্য জমা দেওয়া প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/আলোকচিত্রসমূহের স্বত্বাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন/আলোকচিত্রসমূহের অনলাইন লিংক এবং টেলিভিশনে প্রচারিত প্রতিবেদন/অনুষ্ঠানের ইউটিউব লিংক (যদি থাকে) প্রতিবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে। যদি অনলাইন লিংক বা ইউটিউব লিংক না থাকে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের সম্পাদক/বার্তা সম্পাদক কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০) সংবাদ/অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয়েছে মর্মে (প্রকাশ/প্রচারের তারিখ উল্লেখসহ) সত্যায়নপত্র সংযুক্ত করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রেও কন্টেন্টগুলো উল্লেখিত সময়ের মধ্যে প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে। অসম্পূর্ণ/ভুল তথ্যসংবলিত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।


আবেদন করার শর্ত
১.    অভিবাসন খাত, অভিবাসী ও শরণার্থী কিংবা তাদের পরিবারের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এমন প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট (প্রকাশিত বা সম্প্রচারিত) হতে হবে।
২.    সংবাদ প্রতিবেদন বা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে দেশে বা প্রবাসে অবস্থানরত শুধু বাংলাদেশি সাংবাদিকরাই এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৩.    সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্টের ক্ষেত্রে যেকোনো বাংলাদেশী ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন।
৪.    আবেদনকারীকে অবশ্যই তাঁর জীবনবৃত্তান্ত যথাযথ ফরমেটের মাধ্যমে (ফরমেটগুলো সর্বশেষ পাতায় সংযুক্ত) পাঠাতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি হিসেবে প্রতিবেদন, আলোকচিত্র যে মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার বিবরণ জমা দিতে হবে।
৫.    আবেদনকারী তাঁর কর্মজীবন সম্পর্কে অর্ধেক পাতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত বিবরণ (বাংলা ও ইংরেজি ভাষায়) সংযুক্ত করে পাঠাবেন। সংযুক্ত ফরমেটটি পূরণ করে আবেদনপত্রের সঙ্গে পাঠাতে হবে।
৬.    প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে (জাতীয় ও স্থানীয় উভয় ক্ষেত্রে) সংবাদপত্রে প্রকাশিত মূল কপিটি প্রেরণ করতে হবে। সংবাদপত্রের এবং প্রতিবেদকের নাম ও তারিখ অবশ্যই দৃশ্যমান হতে হবে। সংযুক্তি হিসেবে প্রকাশিত কপি  ছাড়াও সিডির মাধ্যমে সংবাদটির ওয়েব লিংক এবং সফটকপি জমা দিতে হবে।
৭.    বেতারের ক্ষেত্রে এএম এবং এফএম বেতারতরঙ্গে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান অথবা প্রতিবেদন হতে হবে। এর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত/সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্ট যদি বর্তমান থাকে তবে জমা দিতে হবে। নিয়মিত বেতারে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানের অন্তত পরপর তিনটি অনুষ্ঠানের কপি জমা দিতে হবে।
৮.    টেলিভিশনের ক্ষেত্রে অবশ্যই সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্ট সহকারে প্রতিবেদনটি সিডি/ডিভিডির মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
৯.    অনলাইন মিডিয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবেদনটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হতে হবে এবং অনলাইনে যেভাবে প্রচারিত হয়েছে সেভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি স্ক্রিনশটসহ জমা দিতে হবে। এছাড়াও ইউআরএলসহ সফটকপি সিডিতে জমা দিতে হবে।
১০.    আলোকচিত্রের ক্ষেত্রে আলোকচিত্রটি যেকোন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার কপি ও লিংক সংযুক্ত করতে হবে। গণমাধ্যমে যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে ঠিক সেভাবেই সংশ্লিষ্ট আলোকচিত্রসহ প্রকাশিত প্রতিবেদনটি জমা দিতে হবে। হার্ডকপি ছাড়াও সফট কপি সংযুক্তি হিসেবে সিডি-র মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
১১.    সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে ফেসবুক পেজ/ ব্যক্তিগত আইডি অথবা ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত অভিবাসন বিষয়ক অন্তত দশটি কন্টেন্টের লিংক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে সেভাবে স্ক্রিনশট দিয়ে পাঠাতে হবে। (২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর কন্টেন্টের কোন ধরনের সম্পাদনা গ্রহনযোগ্য হবে না)।
১২.    সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ২০২০ সালে অভিবাসন বিষয়ে তাদের যতগুলো গুরুত্বপূর্ন সংবাদ/মতামত/অনুষ্ঠান/টকশো প্রচারিত প্রকাশিত হয়েছে প্রতিটি অনুষ্ঠানের ওয়েব লিংক সংযুক্ত করে পাঠাতে হবে। ওয়েব লিংক না থাকলে সিডি আকারেও পাঠানো যাবে।


বিচারকমণ্ডলী
 যেসব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সম্মানিত বিচারকমন্ডলীর দ্বারা আবেদনকৃত প্রবন্ধ/অনুসন্ধানী প্রতিবেদন মূল্যায়ন করা হবে:
১.    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি।
২.    গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একজন শিক্ষক।
৩.    আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন প্রতিনিধি।
৪.    একজন সিনিয়র সাংবাদিক/গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।

আবেদনের শেষ তারিখ
২০২১ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে আবেদনটি ‘৬ষ্ঠ ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ আয়োজক কমিটি ঠিকানায় পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার পরে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন সরাসরি বা ডাকযোগে জমা দিতে হবে। তবে প্রবাসে অবস্থানকারী সাংবাদিকেরা ইমেলেইলের মাধ্যমেও প্রতিবেদন জমা দিতে পারবেন।


আবেদন জমাদানের ঠিকানা
‘৬ষ্ঠ ব্র্যাক মাইগ্রেশন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’
মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম, ব্র্যাক
ব্র্যাক সেন্টার, ৭৫ মহাখালী (১২ তলা)
ঢাকা-১২১২
বাংলাদেশ

ইমেইল: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.

 প্রয়োজনে যোগাযোগ: ফোন: ৮৮০২ ২২২২৮১২৬৫ এক্সটেনশন: ৩৯১২

 

 

ফরম ডাউনলোড করুন 

 

Monday, 30 November 2020 00:00

VAWC toolkit (Bangla)

Monday, 30 November 2020 00:00

VAWC toolkit (English)

The World Bank and BRAC today signed a Memorandum of Understanding  at an online event to collaborate to improve road safety in Bangladesh.  

The event titled ‘Road Safety Collaboration: Reducing Road Fatalities 50% by 2030’ also launched a Road Safety Awareness Campaign along the 48KM Jashore-Jhenaidah corridor as part of the partnership. The campaign will complement the World Bank-supported WeCARE project, which was approved in June 2020 and aims to upgrade the existing two-lane highway, Bhomra-Satkhira-Navaron and Jashore-Jhenaidah, to a safer four-lane highway.

BRAC and the World Bank will partner together to promote safety for women in public transport systems and conduct training and skills building for men and women drivers. BRAC’s driving school’s initiative ‘Women behind the Wheels’ has so far trained approximately 214 women as professional drivers.

Globally, about 1.35 million people die every year in road accidents. In Bangladesh, road crashes are the fourth leading cause of death of children aged between 5 and 14, and 67 per cent of the victims are within the age group of 15-49 years.

"Under the leadership of Honorable Prime Minister H. E. Sheikh Hasina, Bangladesh has taken actions to achieve the Sustainable Development Goal of cutting the number of road traffic fatalities by half within the next decade,” said Honorable Minister of Road Transport and Bridges, Mr. Obaidul Quader, who joined the virtual event as Chief Guest.

“With more awareness and safer behaviors by road users, training of drivers, and better roads, Bangladesh is taking a comprehensive approach for ensuring road safety.”
“Road safety has become an economic and development priority for any country,” said Dandan Chen, Acting Country Director for Bangladesh and Bhutan.

“We are proud to be part of the government’s commitment to better road safety through a National Road Safety Program. Our partnership with BRAC will reinforce the support to the program   for improving road safety in both rural and urban areas in Bangladesh.”

The collaboration will support exchange of knowledge and raise awareness among stakeholders to reduce fatalities and injuries from road accidents. This will help the country adopt interventions based on the Safe-System Approach, including safe roads and  safe behaviors, as recommended globally.

Since 2011, under BRAC’s community road safety awareness program, over 1.2 million people have received training on the safe use of roads. In addition, 5,451 schoolteachers and 498,000 school children have received special awareness training on road safety.

Asif Saleh, Executive Director of BRAC,  said, “I believe this joint initiative between BRAC and the World Bank will be a big step forward to take the road safety system in the project area to a new level. With the support of the government of Bangladesh and the World Bank, we aspire to take BRAC's community led road safety model across Bangladesh.”

“The government, development partners, non-government organizations and most importantly the citizens need to work together like this in finding more comprehensive long term systemic solutions  to achieve the Sustainable Development Goal of reducing traffic fatalities by 50 per cent,” he added.

Ahmed Najmul Hussain, director, BRAC Road Safety Programme, said, "I believe that undertaking more such community-driven awareness initiatives for the other highways of the country such as the one to be implemented under this MoU along the Jashore-Jhenaidah highway will substantially help reduce the number of road crashes."





Response and recovery efforts supported by $300,000 grant from the Bill & Melinda Gates Foundation

In the aftermath of Cyclone Amphan, the super cyclonic storm that devastated coastal communities in Bangladesh in late May, BRAC has been carrying out response and recovery efforts, made more complex by the COVID-19 pandemic. With more than 200,000 homes reportedly destroyed or damaged, families sought refuge in neighboring homes and shelters, increasing the chance of contracting COVID-19 in the absence of social distancing.

BRAC has quickly started to provide multi-purpose conditional (repairing of houses and latrines, and installation of tippy taps) cash support to 4,600 cyclone-affected households to enable families to return to their own homes in 10 sub-districts in the districts of Satkhira, Khulna and Bagerhat. The cash assistance of BDT 5,000 (USD ~$60) per household is being provided by mobile money transfers in two installments. Training is also being provided to residents to install hand washing stations through demonstration efforts, maintaining social distance, so they can wash their hands safely and reduce the risk of COVID-19 spread.

Without access to clean water, it is difficult to maintain basic hygiene practices to prevent contraction of COVID-19 and diarrhoea. Awareness messages on basic hygiene practices and COVID-19 infection prevention and control are being disseminated by BRAC staff, who are trained on COVID-19 prevention practices.

BRAC’s emergency response is supported by a $300,000 grant from the Bill & Melinda Gates Foundation. The grant funded relief and recovery efforts to people suffering the impact of Amphan in Bangladesh.
 
BRAC’s disaster response efforts in Bangladesh have benefited from funding by the Bill & Melinda Gates Foundation several times in the last 13 years, starting with Cyclone Sidr in 2007. Most recently, the foundation provided a grant of $300,000 last year for flood relief.

“BRAC has always looked to the Bill & Melinda Gates Foundation as a key partner in our effort to provide life-saving services to the most vulnerable people, especially during humanitarian crises,” said Asif Saleh, Executive Director of BRAC. “This support was no exception. It allowed us to mobilise resources quickly, during the COVID-19 pandemic, to provide much-needed cash support to the families most affected by Cyclone Amphan so they can get back on their feet.”

 

Mr Md Zahid Ahsan Russel, minister of state for youth and sports of Bangladesh, said Prime Minister Sheikh Hasina has allocated land near the National Parliament House in the capital to build an international standard complex for adaptive sports. "Athletes with disabilities will be provided with all kinds of facilities in this complex," he said in his speech at an event today on Thursday (5 March) at the BRAC Centre at Mohakhali in Dhaka city.

The event, a special lecture followed by a press briefing, was organised on the occasion of Dhaka visit by Ms Aki Taguchi, former celebrated athlete of Paralympic and currently vice president of Paralympians Association of Japan. The visit is part of a campaign to raise public awareness about the Paralympic Games and the importance of establishing an inclusive society for the greater wellbeing of everyone, particularly the persons with disabilities.
The Embassy of Japan, in cooperation with BRAC, arranged the programme with state minister Mr Md Zahid Ahsan Russel being present as the guest of honour. Mr Ito Naoki, Japanese ambassador in Bangladesh, also addressed the audience at the event.

Ms Aki Taguchi, said, "Persons with disabilities have a lot to contribute to the wellbeing of the society. Twenty-five years ago, I received severe injury in my spinal cord in an accident. I could not stand on my feet. Later on, I took up beam rifle. At one point, I represented my country in the Paralympic Games and made history as I had passed into the final round."

Calling on the persons with disabilities in Bangladesh to engage in sports, she further said, "I want persons with disabilities to come forward to take up sports and bring honour for Bangladesh."

Ms Taguchi represented Japan in the shooting events for three years in a row at the Paralympic Games which are Athens 2004, Beijing 2008 and London 2012.

Beforehand in the morning, she visited the Neurodevelopmental disability centre (NDD) operated by BRAC Education Programme in Korail slums in the capital. Later she remarked, "During my visit to the BRAC School, I had caught sight of a school playground nearby. There I saw all other children were playing with the children with disabilities. It's a scene that you'll witness in a very few countries of the world. BRAC is doing commendable work. This is what the reality should be everywhere."

The organisation maintains its top ranking as it continues the legacy of late founder Sir Fazle Hasan Abed

BRAC has been ranked the world’s number one non-governmental organisation (NGO) of 2020 by NGO Advisor, an independent Geneva-based media organisation. BRAC, a leading development organisation based in Bangladesh, retained its top spot in part due to its robust leadership and governance structure and continued commitment to systemic change.

“We are deeply grateful and humbled to receive this accolade. 2020 will be the first year for BRAC family without our Founder, Sir Fazle Hasan Abed. We take this recognition as a reminder to be worthy of his legacy and continue the fight for a world free from all forms of exploitation and discriminaton,” said Ameerah Haq, Chair, BRAC Global Board.

After nearly five decades of experience in Bangladesh and beyond, BRAC recently announced a new 2030 strategy that prioritises scaling its global reach, targeting participants with multiple interventions, and developing collaboration and knowledge-sharing leadership across the development sector. In 2019, it formed a new Global Board to lead and implement this strategy.

“In the BRAC Global Strategy, Sir Fazle has set an audacious goal for us, empowering at least 250 million people to have control over their own livelihoods by 2030. We’ll keep striving every day to make his vision a reality,” Ms Haq added.

Jean-Christophe Nothias, Editor-in-Chief and CEO of NGO Advisor, cited BRAC’s renewed commitment to innovation and impact and its advanced preparations to transition leadership and governance responsibilities to the next generation of leaders as key factors that contributed to the number one ranking.

“This 2020 list is launched with excitement as the social profit sector keeps growing and transforming the world, but also with sadness as the founder of BRAC, Sir Fazle, passed away in 2019,” wrote Jean-Christophe. “He was a man of outstanding stature and humanity; he was at the forefront of systemic changes we are still aiming for. We have reason to believe that BRAC is on its way to pay a sustainable tribute to its founder by keeping its leading, driving role in the social profit sector.”

NGO Advisor publishes rankings for the top 500 global NGOs each year, drawing upon publicly-available data and focusing on impact, innovation, governance, and sustainability as key factors informing the rankings.

2020 marks BRAC’s fifth consecutive year in the number one spot. BRAC shares the top five with several high-impact peers, including Médecins Sans Frontières, Danish Refugee Council, Open Society Foundations, and Mercy Corps.

Wednesday, 08 January 2020 00:00

Migration media award 2019

prottasha

blue-bar

অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯

 

বিশ্বের যে কোনো দেশের মতোই বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে অভিবাসন খাতটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের  সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২৭২ মিলিয়ন মানুষ (বিশ্ব জনসংখ্যার ৩.৫%) কাজের জন্য বা  অন্য কোনো প্রয়োজনে নিজ দেশে বাস না করে অন্য দেশে বাস করছেন এবং উভয় দেশেরই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ৬৮৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার প্রবাসী আয় হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় আয়ে যুক্ত হয়েছে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ইউএস ডলার প্রবাসী আয় বাংলাদেশে এসেছে এবং মোট প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে। এদের মধ্যে নারী ৯৭ হাজার ৪৩০ জন।

বাংলাদেশকে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ করতে প্রবাসী আয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে অভিবাসন প্রত্যাশীরা প্রায়শই প্রতারণার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে ব্র্যাক বাংলাদেশের অভিবাসনপ্রবণ জেলাগুলোতে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত, মানবপাচার প্রতিরোধ ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং বিদেশফেরত অভিবাসীদের পুনরেকত্রীকরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিবছর প্রবাস থেকে অনেক মানুষ দেশে ফেরত আসে। কিন্তু তাদের পুনরেকত্রীকরণের বিষয়টি একেবারে উপেক্ষিত থেকে যায়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং ব্র্যাক যৌথভাবে ‘প্রত্যাশা’ নামক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে; যে প্রকল্পের অধীনে সারাদেশে বিদেশফেরতদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য ও প্রশংসনীয়। অভিবাসনবিষয়ক সাংবাদিকতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে ব্র্যাক ২০১৫ সাল থেকে ‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ দ্ওেয়া শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় বস্তুনিষ্ঠ অভিবাসন সাংবাদিকতাকে অনুপ্রাণিত করতে পঞ্চমবারের মতো ‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ প্রদান করা হবে।


যেসব বিভাগে/ক্যাটাগরিতে ‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ প্রদান করা হবে
(ক)    সংবাদপত্র (জাতীয়): অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো জাতীয়  সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(খ)    সংবাদপত্র (আঞ্চলিক): অভিবাসন বিষয়ে বাংলাদেশের যে কোনো আঞ্চলিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(গ)    অনলাইন: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(ঘ)    টেলিভিশন সংবাদ: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো টেলিভিশনে সম্প্রচারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।
(ঙ)    টেলিভিশন অনুষ্ঠান: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো টেলিভিশনে সম্প্রচারিত অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান।
(চ)    রেডিও: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো রেডিওতে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান/প্রতিবেদন।
(ছ)    আলোকচিত্র: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যেকোনো গণমাধ্যমে প্রকাশিত আলোকচিত্র।
(জ)    সোশ্যাল মিডিয়া: নিরাপদ অভিবাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা মানসম্মত ফেসবুক পেজ/ব্যক্তিগত আইডি/ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেল।    
(ঝ)    সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠান: অভিবাসন বিষয়ে  ভূমিকা রাখা প্রিন্ট/অনলাইন/টেলিভিশন।

প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/আলোকচিত্র/ সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টসমূহ প্রকাশ বা প্রচারের সময়সীমা
দেশে অথবা প্রবাসে অবস্থানরত যেকোনো বাংলাদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাটাগরিতে যে কোনো বাংলাদেশি ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন। অভিবাসনবিষয়ক প্রতিবেদন/ অনুষ্ঠান/আলোকচিত্র/ ব্লগ/সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টসমুহ অবশ্যই ১ জানুয়ারি ২০১৯  থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ এর মধ্যে প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে।


যোগ্যতা ও সতর্কতা
মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের জন্য জমা দেওয়া প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/আলোকচিত্রসমূহের স্বত্বাধিকারনিশ্চিত করতে হবে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন/আলোকচিত্রসমূহের অনলাইন লিংক এবং টেলিভিশনে প্রচারিত প্রতিবেদন/অনুষ্ঠানের ইউটিউব লিংক প্রতিবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে। যদি অনলাইন লিংক বা ইউটিউব লিংক না থাকে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের সম্পাদক/বার্তা সম্পাদক কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (১ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯) সংবাদ/অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয়েছে মর্মে (প্রকাশ/প্রচারের তারিখ উল্লেখসহ) সত্যায়নপত্র সংযুক্ত করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে কন্টেন্টগুলো একই সময়ের মধ্যে প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে।

* অসম্পূর্ণ/ভুল তথ্যসংবলিত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।


আবেদন করার নিয়ম/শর্ত
১.    অভিবাসন খাত, অভিবাসী ও শরণার্থী কিংবা তাদের পরিবারের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এমন প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট (প্রকাশিত বা সম্প্রচারিত) হতে হবে।
২.    সংবাদ প্রতিবেদন বা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে দেশে বা প্রবাসে অবস্থানরত শুধু বাংলাদেশি সাংবাদিকরাই এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৩.    সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্টের ক্ষেত্রে যে কোনো বাংলাদেশী ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন।
৪.    আবেদনকারীকে অবশ্যই তাঁর জীবনবৃত্তান্ত যথাযথ ফরমেটের মাধ্যমে (ফরমেটগুলো সর্বশেষ পাতায় সংযুক্ত) পাঠাতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি হিসেবে প্রতিবেদন, আলোকচিত্র যে মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার বিবরণ জমা দিতে হবে।
৫.    আবেদনকারী তাঁর কর্মজীবন সম্পর্কে অর্ধেক পাতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত বিবরণ (বাংলা ও ইংরেজি ভাষায়) সংযুক্ত করে পাঠাবেন। সংযুক্ত ফরমেটটি পূরণ করে আবেদনপত্রের সঙ্গে পাঠাতে হবে।
৬.    প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে (জাতীয় ও স্থানীয় উভয় ক্ষেত্রে) সংবাদপত্রে প্রকাশিত মূল কপিটি প্রেরণ করতে হবে। সংবাদপত্রের এবং প্রতিবেদকের নাম ও তারিখ অবশ্যই দৃশ্যমান হতে হবে। সংযুক্তি হিসেবে প্রকাশিত কপি  ছাড়াও সিডির মাধ্যমে সংবাদটির ওয়েব লিংক এবং সফটকপি জমা দিতে হবে।
৭.    বেতারের ক্ষেত্রে এএম এবং এফএম বেতারতরঙ্গে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান অথবা প্রতিবেদন হতে হবে। এর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত/সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্ট যদি বর্তমান থাকে তবে জমা দিতে হবে। নিয়মিত বেতারে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানের অন্তত পরপর তিনটি অনুষ্ঠানের কপি জমা দিতে হবে।
৮.    টেলিভিশনের ক্ষেত্রে অবশ্যই সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্ট সহকারে প্রতিবেদনটি ডিভিডির মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
৯.    অনলাইন মিডিয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রতিবেদনটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হতে হবে এবং অনলাইনে যেভাবে প্রচারিত হয়েছে সেভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি স্ক্রিনশটসহ জমা দিতে হবে। এছাড়াও ইউআরএলসহ সফটকপি সিডিতে জমা দিতে হবে।
১০.    আলোকচিত্রের ক্ষেত্রে আলোকচিত্রটি যেকোন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার কপি ও লিংক সংযুক্ত করতে হবে। গণমাধ্যমে যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে ঠিক সেভাবেই সংশ্লিষ্ট আলোকচিত্রসহ প্রকাশিত প্রতিবেদনটি জমা দিতে হবে। হার্ডকপি ছাড়াও সফট কপি সংযুক্তি হিসেবে সিডি-র মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
১১.    সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে ফেসবুক পেজ/ ব্যক্তিগত আইডি অথবা ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত অন্তত দশটি কন্টেন্টের লিংক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে সেভাবে স্ক্রিনশট দিয়ে পাঠাতে হবে। (২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর কন্টেন্টের কোন ধরনের সম্পাদনা গ্রহনযোগ্য হবে না)।
১২.    সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালে অভিবাসন বিষয়ে তাদের যতগুলো গুরুত্বপূর্ন সংবাদ/মতামত/অনুষ্ঠান/টকশো প্রচারিত প্রকাশিত হয়েছে প্রতিটি অনুষ্ঠানের ওয়েব লিংক সংযুক্ত করে পাঠাতে হবে। ওয়েব লিংক না থাকলে সিডি আকারেও পাঠানো যাবে।
১৩.    একজন আবেদনকারী একাধিক বিভাগে আবেদন করতে পারবেন তবে একটি বিভাগের জন্য একটি প্রতিবেদনের বেশি জমা দেয়া যাবে না।


বিচারকমন্ডলী
 যেসব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সম্মানিত বিচারকমন্ডলীর দ্বারা আবেদনকৃত প্রবন্ধ/অনুসন্ধানী প্রতিবেদন মূল্যায়ন করা হবে:
১.    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি।
২.    গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একজন শিক্ষক।
৩.    আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন প্রতিনিধি।
৪.    একজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।


আবেদনের শেষ তারিখ
‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ কমিটির নিকট ২০২০ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে আবেদনটি পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার পরে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন সরাসরি বা ডাকযোগে জমা দিতে হবে।


আবেদন জমাদানের ঠিকানা:
‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’
মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম, ব্র্যাক
ব্র্যাক সেন্টার, ৭৫ মহাখালী (১২ তলা)
ঢাকা-১২১২
বাংলাদেশ

প্রয়োজনে যোগাযোগ: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.
ফোন: ৮৮০২ ৯৮৮১২৬৫ এক্সটেনশন: ৩৯১২


পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ এর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের তারিখ সংশ্লিষ্টদের যথাসময়ে জানানো হবে।

 

 

ফরম ডাউনলোড করুন 

 

 

 

With profound sadness, BRAC, one of the world’s leading development organisations, announced today the passing of its Founder, Sir Fazle Hasan Abed KCMG. He was 83 years old.

Sir Fazle breathed his last this evening while undergoing treatment at the Apollo Hospitals in Dhaka, Bangladesh. He was battling a malignant tumour of the brain.

His body will be placed on the Army Stadium premises in the capital on Sunday (22 December) from 10.30am to 12.30pm to allow people from all walks of life to pay their last tributes. His Namaz-e-Janaza will also be held there at 12.30pm. He will be laid to rest at the graveyard in Banani, Dhaka on the same day.

Ms Ameerah Haq, Chair, BRAC Global Board said in a statement, “Unfaltering dedication, focus and work ethic are what we have always experienced in Sir Fazle, or Abed Bhai, as the BRAC family calls him lovingly. He always put others before himself and let his work speak for itself. Even when BRAC attained its global stature, his concern and focus were on the less fortunate in society and those whose potential needed nurturing. He embodied the highest level of integrity, humility and humanity, which continues to be the essential guiding spirit of BRAC.”

The Honourable President of Bangladesh Mohammad Abdul Hamid and Prime Minister of Bangladesh Sheikh Hasina both expressed their heartfelt condolences to the bereaved family of Sir Fazle Hasan Abed.

Sir Fazle started BRAC in 1972, at the age of 36, as a small relief and rehabilitation project in north-eastern Bangladesh. Over the past 47 years, BRAC has grown to be one of the most effective non-governmental organisations in the world, touching the lives of over 100 million people worldwide. BRAC is a unique ecosystem comprising development programmes, microfinance, social enterprises, a university, bank and a range of mission-aligned investments. BRAC currently operates in 11 countries in Asia and Africa, with affiliate offices in the USA, UK and the Netherlands.

About Sir Fazle Hasan Abed
Sir Fazle was born in 1936 in Bangladesh. He studied Accountancy in London, qualifying as a Cost Management Accountant in 1962. While he was working as a senior corporate executive at Pakistan Shell Oil, the 1970 cyclone and 1971 Liberation War in Bangladesh dramatically changed the direction of his life. He left his job and moved to London, where he helped initiate Action Bangladesh and HELP Bangladesh in support of the Liberation War.

Early in 1972, after the war was over, he returned to the newly-independent Bangladesh, finding the economy in ruins. The return of 10 million refugees who had sought shelter in India during the war called for urgent relief and rehabilitation efforts. Sir Fazle established BRAC to address the needs of refugees in a remote area of north-eastern Bangladesh, guided by a desire to help people living in poverty develop their own capacity to better manage their lives.
Today BRAC is one of the largest NGOs in the world, operating across eleven countries in Africa and Asia. Its primary objective is to empower people living in poverty and inequality. In 2019, for the fourth year in a row, BRAC was ranked first among the world’s top 500 NGOs by Geneva-based NGO Advisor; based on its impact, innovation and sustainability.

Sir Fazle was honoured with numerous national and international awards for his achievements in leading BRAC, including the Yidan Prize for Education Development (2019), LEGO Prize (2018), World Food Prize (2015), Spanish Order of Civil Merit (2014), Inaugural WISE Prize for Education (2011), David Rockefeller Bridging Leadership Award (2008), Inaugural Clinton Global Citizen Award (2007), UNDP Mahbubul Haq Award for Outstanding Contribution to Human Development (2004), Olof Palme Prize (2001) and Ramon Magsaysay Award for Community Leadership (1980).

He has also been recognised by Ashoka as one of the ‘global greats’; and is a founding member of its prestigious Global Academy for Social Entrepreneurship. He was a member of the Commission on Health Research for Development (1987-90), the Independent South Asian Commission on Poverty Alleviation (1991-92) and the High-level Commission on Legal Empowerment of the Poor (2005-2008). In 2010, he was appointed Knight Commander of the Most Distinguished Order of St. Michael and St. George by the British Crown in recognition of his services to reducing poverty in Bangladesh and internationally. Sir Fazle was a member of the Group of Eminent Persons appointed by the UN Secretary-General in 2010 to advise on support for the Least Developed Countries. In 2014 and 2017, he was named in Fortune Magazine’s List of the World’s 50 Greatest Leaders. Sir Fazle was honoured with a Dutch Knighthood in 2019.

Please see the condolence message from Ms Ameerah Haq, Chair, BRAC Global Board.

 

Join the world’s biggest family

sign-up

Subscribe

STAY INFORMED. Subscribe to our newsletter.

Top