Skip to main content
Last modified on Thursday, 23 January 2020 04:45

Migration media award 2019

Rate this item
(0 votes)

prottasha

blue-bar

অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯

 

বিশ্বের যে কোনো দেশের মতোই বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে অভিবাসন খাতটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের  সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২৭২ মিলিয়ন মানুষ (বিশ্ব জনসংখ্যার ৩.৫%) কাজের জন্য বা  অন্য কোনো প্রয়োজনে নিজ দেশে বাস না করে অন্য দেশে বাস করছেন এবং উভয় দেশেরই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ৬৮৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার প্রবাসী আয় হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় আয়ে যুক্ত হয়েছে। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ইউএস ডলার প্রবাসী আয় বাংলাদেশে এসেছে এবং মোট প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে। এদের মধ্যে নারী ৯৭ হাজার ৪৩০ জন।

বাংলাদেশকে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ করতে প্রবাসী আয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে অভিবাসন প্রত্যাশীরা প্রায়শই প্রতারণার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে ব্র্যাক বাংলাদেশের অভিবাসনপ্রবণ জেলাগুলোতে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত, মানবপাচার প্রতিরোধ ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং বিদেশফেরত অভিবাসীদের পুনরেকত্রীকরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিবছর প্রবাস থেকে অনেক মানুষ দেশে ফেরত আসে। কিন্তু তাদের পুনরেকত্রীকরণের বিষয়টি একেবারে উপেক্ষিত থেকে যায়। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং ব্র্যাক যৌথভাবে ‘প্রত্যাশা’ নামক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে; যে প্রকল্পের অধীনে সারাদেশে বিদেশফেরতদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য ও প্রশংসনীয়। অভিবাসনবিষয়ক সাংবাদিকতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে ব্র্যাক ২০১৫ সাল থেকে ‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ দ্ওেয়া শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় বস্তুনিষ্ঠ অভিবাসন সাংবাদিকতাকে অনুপ্রাণিত করতে পঞ্চমবারের মতো ‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ প্রদান করা হবে।


যেসব বিভাগে/ক্যাটাগরিতে ‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ প্রদান করা হবে
(ক)    সংবাদপত্র (জাতীয়): অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো জাতীয়  সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(খ)    সংবাদপত্র (আঞ্চলিক): অভিবাসন বিষয়ে বাংলাদেশের যে কোনো আঞ্চলিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(গ)    অনলাইন: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন।
(ঘ)    টেলিভিশন সংবাদ: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো টেলিভিশনে সম্প্রচারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।
(ঙ)    টেলিভিশন অনুষ্ঠান: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো টেলিভিশনে সম্প্রচারিত অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান।
(চ)    রেডিও: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যে কোনো রেডিওতে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান/প্রতিবেদন।
(ছ)    আলোকচিত্র: অভিবাসন বিষয়ে দেশে ও বিদেশে যেকোনো গণমাধ্যমে প্রকাশিত আলোকচিত্র।
(জ)    সোশ্যাল মিডিয়া: নিরাপদ অভিবাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা মানসম্মত ফেসবুক পেজ/ব্যক্তিগত আইডি/ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেল।    
(ঝ)    সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠান: অভিবাসন বিষয়ে  ভূমিকা রাখা প্রিন্ট/অনলাইন/টেলিভিশন।

প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/আলোকচিত্র/ সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টসমূহ প্রকাশ বা প্রচারের সময়সীমা
দেশে অথবা প্রবাসে অবস্থানরত যেকোনো বাংলাদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাটাগরিতে যে কোনো বাংলাদেশি ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন। অভিবাসনবিষয়ক প্রতিবেদন/ অনুষ্ঠান/আলোকচিত্র/ ব্লগ/সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টসমুহ অবশ্যই ১ জানুয়ারি ২০১৯  থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ এর মধ্যে প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে।


যোগ্যতা ও সতর্কতা
মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের জন্য জমা দেওয়া প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/আলোকচিত্রসমূহের স্বত্বাধিকারনিশ্চিত করতে হবে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন/আলোকচিত্রসমূহের অনলাইন লিংক এবং টেলিভিশনে প্রচারিত প্রতিবেদন/অনুষ্ঠানের ইউটিউব লিংক প্রতিবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে। যদি অনলাইন লিংক বা ইউটিউব লিংক না থাকে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের সম্পাদক/বার্তা সম্পাদক কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (১ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯) সংবাদ/অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হয়েছে মর্মে (প্রকাশ/প্রচারের তারিখ উল্লেখসহ) সত্যায়নপত্র সংযুক্ত করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে কন্টেন্টগুলো একই সময়ের মধ্যে প্রকাশিত/প্রচারিত হতে হবে।

* অসম্পূর্ণ/ভুল তথ্যসংবলিত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।


আবেদন করার নিয়ম/শর্ত
১.    অভিবাসন খাত, অভিবাসী ও শরণার্থী কিংবা তাদের পরিবারের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এমন প্রতিবেদন/অনুষ্ঠান/সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট (প্রকাশিত বা সম্প্রচারিত) হতে হবে।
২.    সংবাদ প্রতিবেদন বা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে দেশে বা প্রবাসে অবস্থানরত শুধু বাংলাদেশি সাংবাদিকরাই এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৩.    সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্টের ক্ষেত্রে যে কোনো বাংলাদেশী ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন।
৪.    আবেদনকারীকে অবশ্যই তাঁর জীবনবৃত্তান্ত যথাযথ ফরমেটের মাধ্যমে (ফরমেটগুলো সর্বশেষ পাতায় সংযুক্ত) পাঠাতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি হিসেবে প্রতিবেদন, আলোকচিত্র যে মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার বিবরণ জমা দিতে হবে।
৫.    আবেদনকারী তাঁর কর্মজীবন সম্পর্কে অর্ধেক পাতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত বিবরণ (বাংলা ও ইংরেজি ভাষায়) সংযুক্ত করে পাঠাবেন। সংযুক্ত ফরমেটটি পূরণ করে আবেদনপত্রের সঙ্গে পাঠাতে হবে।
৬.    প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে (জাতীয় ও স্থানীয় উভয় ক্ষেত্রে) সংবাদপত্রে প্রকাশিত মূল কপিটি প্রেরণ করতে হবে। সংবাদপত্রের এবং প্রতিবেদকের নাম ও তারিখ অবশ্যই দৃশ্যমান হতে হবে। সংযুক্তি হিসেবে প্রকাশিত কপি  ছাড়াও সিডির মাধ্যমে সংবাদটির ওয়েব লিংক এবং সফটকপি জমা দিতে হবে।
৭.    বেতারের ক্ষেত্রে এএম এবং এফএম বেতারতরঙ্গে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান অথবা প্রতিবেদন হতে হবে। এর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত/সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্ট যদি বর্তমান থাকে তবে জমা দিতে হবে। নিয়মিত বেতারে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানের অন্তত পরপর তিনটি অনুষ্ঠানের কপি জমা দিতে হবে।
৮.    টেলিভিশনের ক্ষেত্রে অবশ্যই সম্পূর্ণ স্ক্রিপ্ট সহকারে প্রতিবেদনটি ডিভিডির মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
৯.    অনলাইন মিডিয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রতিবেদনটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হতে হবে এবং অনলাইনে যেভাবে প্রচারিত হয়েছে সেভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি স্ক্রিনশটসহ জমা দিতে হবে। এছাড়াও ইউআরএলসহ সফটকপি সিডিতে জমা দিতে হবে।
১০.    আলোকচিত্রের ক্ষেত্রে আলোকচিত্রটি যেকোন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তার কপি ও লিংক সংযুক্ত করতে হবে। গণমাধ্যমে যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে ঠিক সেভাবেই সংশ্লিষ্ট আলোকচিত্রসহ প্রকাশিত প্রতিবেদনটি জমা দিতে হবে। হার্ডকপি ছাড়াও সফট কপি সংযুক্তি হিসেবে সিডি-র মাধ্যমে জমা দিতে হবে।
১১.    সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে ফেসবুক পেজ/ ব্যক্তিগত আইডি অথবা ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত অন্তত দশটি কন্টেন্টের লিংক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে সেভাবে স্ক্রিনশট দিয়ে পাঠাতে হবে। (২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর কন্টেন্টের কোন ধরনের সম্পাদনা গ্রহনযোগ্য হবে না)।
১২.    সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালে অভিবাসন বিষয়ে তাদের যতগুলো গুরুত্বপূর্ন সংবাদ/মতামত/অনুষ্ঠান/টকশো প্রচারিত প্রকাশিত হয়েছে প্রতিটি অনুষ্ঠানের ওয়েব লিংক সংযুক্ত করে পাঠাতে হবে। ওয়েব লিংক না থাকলে সিডি আকারেও পাঠানো যাবে।
১৩.    একজন আবেদনকারী একাধিক বিভাগে আবেদন করতে পারবেন তবে একটি বিভাগের জন্য একটি প্রতিবেদনের বেশি জমা দেয়া যাবে না।


বিচারকমন্ডলী
 যেসব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সম্মানিত বিচারকমন্ডলীর দ্বারা আবেদনকৃত প্রবন্ধ/অনুসন্ধানী প্রতিবেদন মূল্যায়ন করা হবে:
১.    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি।
২.    গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একজন শিক্ষক।
৩.    আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন প্রতিনিধি।
৪.    একজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।


আবেদনের শেষ তারিখ
‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ কমিটির নিকট ২০২০ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে আবেদনটি পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার পরে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন সরাসরি বা ডাকযোগে জমা দিতে হবে।


আবেদন জমাদানের ঠিকানা:
‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’
মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম, ব্র্যাক
ব্র্যাক সেন্টার, ৭৫ মহাখালী (১২ তলা)
ঢাকা-১২১২
বাংলাদেশ

প্রয়োজনে যোগাযোগ: This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.
ফোন: ৮৮০২ ৯৮৮১২৬৫ এক্সটেনশন: ৩৯১২


পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
‘অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ এর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের তারিখ সংশ্লিষ্টদের যথাসময়ে জানানো হবে।

 

 

ফরম ডাউনলোড করুন 

 

 

Read 2652 times Last modified on Thursday, 23 January 2020 04:45

Join the world’s biggest family

sign-up

Subscribe

STAY INFORMED. Subscribe to our newsletter.

Top